সর্বশেষ
৪৫তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েও বাদ, রাষ্ট্রীয় অনাচারের অভিযোগ, রি–ভেরিফিকেশনের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীরশুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা কাঁচামাল বিক্রি করে দিয়েছে উইলিয়ামস সোয়েটার্স, শুল্ক–কর ফাঁকি ১৩ কোটি টাকাতেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার, কারণ কীতিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, কারণ কীভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ, সংকটে পাবনার হোসিয়ারিশিল্পরংপুরে শিল্পের বিকাশে বড় বাধা অর্থায়ন ও জ্বালানিসংকটযুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলবে, ফেললে কী হবেআন্দোলন মোকাবিলায় ব্যর্থ মাখোঁ, তাহলে আগামী নির্বাচনে ফ্রান্সে কি কট্টর ডানপন্থীরা ক্ষমতায় আসছেইরানে আবার হামলার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহুনির্বাচনে নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের সমর্থন: যুক্তরাষ্ট্র কি ইসরায়েলকে নিয়ে আবার ইরানে হামলার ছক কষছে
জীবন রক্ষাকারী কৌশল

সিপিআর শেখা কেন জরুরি, কীভাবে দেওয়া হয়

১ মিনিটে পড়ুন ০
সিপিআর শেখা কেন জরুরি, কীভাবে দেওয়া হয়
ছবি: এআই

সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) একটি জীবন রক্ষাকারী কৌশল। সাধারণত হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট) সময়মতো সিপিআর দিয়ে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।

আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ সুস্থ কোনো মানুষের যেকোনো সময়ে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই আমরা এমন খবর জেনে থাকি। অফিসে কাজ করার সময়, খেলার মাঠে বা যেকোনো জায়গায় আকস্মিক অচেতন হওয়া বা মৃত্যুর প্রধান কারণ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। হঠাৎ এমন ঘটনা ঘটলে প্রাণ রক্ষাকারী পদ্ধতি হতে পারে সিপিআর, যদি তা সময়মতো দেওয়া যায়।

সিপিআর কখন এবং কাদের দিতে হয়

যদি আচমকা জ্ঞান হারিয়েছেন এমন ব্যক্তির হৃদ্‌যন্ত্র সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ঘাড়ে হাত দিয়ে ক্যারোটিড পালস না পাওয়া যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। তখনই অনতিবিলম্বে সিপিআর শুরু করতে হবে। হৃদ্‌যন্ত্র বন্ধ হওয়ার পরও আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস নিতে পারেন, না–ও নিতে পারে। শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিক হতে পারে।

মন্তব্য