৪৫তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েও বাদ, রাষ্ট্রীয় অনাচারের অভিযোগ, রি–ভেরিফিকেশনের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর
রাষ্ট্রের জটিল আইনকানুন বা প্রশাসনিক হিসাব–নিকাশ বোঝেন না এই গ্রামীণ নারী। তবে তিনি চান, সত্যটা সবার সামনে আসুক এবং মেধার ভিত্তিতে অর্জিত অধিকার যেন অন্যায্যভাবে কেড়ে নেওয়া না হয়।
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রাম। গ্রামের আত্মমর্যাদাশীল ও পরিশ্রমী নারী আলেয়া খানম। কষ্টার্জিত উপার্জনে তিনি তাঁর তিন সন্তানকে শিক্ষিত ও সুনাগরিক করে গড়ে তুলেছেন। বড় মেয়ে পড়াশোনা শেষ করে সংসারী হয়েছেন, ছোট মেয়ে কলেজে কেবল পা রেখেছে। আর মেজ ছেলে শামীম আল মাহাদী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
কৃষিকাজের পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় বাড়িতে নিজস্ব গরুর খামার গড়ে তোলেন আলেয়া খানম। এক বছর আগে যখন খবর এল মেজ ছেলে ৪৫তম বিসিএসে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তখন সন্তানকে নিয়ে গর্ব অনুভব করেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, ছেলের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে।
কিন্তু সেই স্বস্তির স্থায়িত্ব বেশি দিন হয়নি। গেজেটের প্রতীক্ষায় কেটে যায় দীর্ঘ ১১টি মাস। অবশেষে ১৪ অক্টোবর রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।








মন্তব্য